কোয়ারেন্টিন সেন্টারে কি জামাই আদর হবে, পরিযায়ীদের জানালেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী

1237
কোয়ারেন্টিন সেন্টারে কি জামাই আদর হবে, পরিযায়ীদের জানালেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী
কোয়ারেন্টিন সেন্টারে কি জামাই আদর হবে, পরিযায়ীদের জানালেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী

কোয়ারেন্টিন সেন্টারে কি জামাই আদর হবে? মেজাজ হারিয়ে পরিযায়ীদের নিয়ে এমন মন্তব্যই করলেন বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। শনিবার বীরভূমের কোয়ারেন্টিন সেন্টারগুলো পরিদর্শনে যান তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। সেখানে নেত্রীকে কোয়ারেন্টিন সেন্টারের অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে; তিনি মেজাজ হারান। শতাব্দী বলেন, “কোয়ারেন্টিন সেন্টারে সবাই এসে যদি জামাই আদর খোঁজে; তাহলে হবে কি করে?”। পরিযায়ীদের নিয়ে সাংসদের এই মন্তব্যের পর; সমালোচনার ঝড় উঠেছে রাজ্য রাজনীতিতে।

শনিবার বীরভূমের কোয়ারেন্টিন সেন্টারগুলোয়; পরিযায়ী শ্রমিকদের বর্তমান অবস্থা; এবং করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে; জেলার বিভিন্ন ব্লকে ঘুরলেন বীরভূম সাংসদ শতাব্দী রায়। শনিবার সাঁইথিয়া মহম্মদবাজার প্রভৃতি ব্লক তিনি ঘোরেন; এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলেন।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলী পরিবার, তাই হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুতেও আমফানের আড়াই লাখ টাকা

এদিন শতাব্দী রায় বলেন; “কোয়ারেন্টাইন সেন্টার কতগুলো আছে; সেগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি কি; এখনো পর্যন্ত কতজন পজিটিভ হয়েছে; কতজনের টেস্ট হয়েছে; ১০০ দিনের কাজ কিভাবে মানুষের কাছে ভালোভাবে পৌঁছানো যায়; রাজ্য সরকার যে কাজগুলো করছে সেগুলো জানার জন্য গিয়েছিলাম”।

আরও পড়ুনঃ আমফান ঘরবাড়ি ভাঙার টাকা, তৃণমূলের পঞ্চায়েত নেতা নেত্রী ও তাদের আত্মীয়দের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে

সেইসঙ্গে উনি বলেন, “হাজার হাজার মানুষকে তো আর; একসাথে খুশি রাখা সম্ভব না”। উনি বলেন, “সবার ক্ষোভ মেটানোও সম্ভব না”। এরপরেই কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন; “এতো হাজার হাজার লোকের প্রবলেম। তো সবাই যদি জামাই আদর চায়; তাহলে মুশকিল হয়ে যাচ্ছে”।

তৃণমূলের তারকা সাংসদের এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন; জেলার বিরোধী নেতারা। বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি শ্যামাপ্রসাদ মণ্ডল; শতাব্দী রায়কে কটাক্ষ করে বলেছেন; “কোয়ারেন্টিনে কেউ বিলাসবহুল জীবন চায়না। গোডাউনে যেমন চাল-ডাল রাখা হয়; ঠিক তেমনই আলা-পাখাহীন ঘরে; পরিযায়ীদের রাখা হয়েছে। তাহলে তাঁরা বিক্ষোভ দেখাবে না? এরকমভাবে রাখার পরেও; সাংসদ বলছেন ওঁরা জামাই আদর খুঁজছে!” বিজেপির নেতার দাবি; শতাব্দী রায় বীরভূমের মানুষকে অপমান করেছেন; আর এর জন্য ওনাকে ক্ষমা চাইতে হবে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন