ঘরে ফিরছেন কাউন্সিলররা, বাংলার রাজনীতি যেন কমেডিয়ান সার্কাস

182
ঘরে ফিরছেন কাউন্সিলররা, বাংলার রাজনীতি যেন কমেডিয়ান সার্কাস/The News বাংলা
ঘরে ফিরছেন কাউন্সিলররা, বাংলার রাজনীতি যেন কমেডিয়ান সার্কাস/The News বাংলা

হালিশহরের পরে এবার কাঁচরাপাড়া। একে একে ঘরে ফিরছে ঘরের ছেলেরা। গেরুয়া শিবিরে গিয়েও; তৃণমূলে ফিরে এলেন চেয়ারম্যান-সহ বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই; দু’টি পুরসভা পুনর্দখলের পথে তৃণমূল কংগ্রেস। আবার বিশ্বাস ফিরছে ঘাস ফুলেই।

কাঁচরাপাড়া পুরসভায় মোট চব্বিশটি ওয়ার্ড রয়েছে। তার মধ্যে লোকসভা নির্বাচনের পরে তিন জন বাদে; বাকি সব কাউন্সিলরই বিজেপি-তে যোগ দেন। ফলে ওই পুরসভা চলে যায় বিজেপি দখলে।

আরও পড়ুন: হাতে মুখে বন্দুক ধরে হিন্দি গানে নাচ, বিতর্কে বিজেপি বিধায়ক প্রণব সিং

তৃণমূল নেতাদের দাবি; যে আঠারোজন কাউন্সিলর বিজেপি-তে গিয়েছিলেন; তাঁদের মধ্যে ৬ জনই আবার তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। দলে ফিরেছেন পুরপ্রধান সুদামা রায়ও। অর্জুন সিং এদিন বলেন; “হালিশহরের চেয়ারম্যান কেন তৃণমূল কংগ্রেসে গিয়েছে সেটা মুকুলদা বলতে পারবে। আমি ওকে নিয়ে যাইনি। আমি ওকে জয়েন করাইনি”।

আরও পড়ুন: বৈধতা পেল পশু পাখির পাশাপাশি মানুষের মৃতদেহ থেকেও জৈবসার উৎপাদন

সূত্রের খবর; আরও বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর তৃণমূলে ফিরছেন। যদিও গেরুয়া শিবির এখনও দাবী করছে; পুরসভা তাদের দখলেই থাকছে। প্রসঙ্গত; কাঁচরাপাড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন মুকুল রায় পুত্র শুভ্রাংশু রায়। এ দিনই পুরসভায় গিয়ে চেয়ারম্যান অংশুমান রায় এবং তৃণমূল কাউন্সিলররা ফের বোর্ড গঠনের দাবি পেশ করেছেন।

আরও পড়ুন: রোজভ্যালি চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে প্রসেনজিতের পর এবার ইডি গোয়েন্দাদের তলব ঋতুপর্ণাকে

লোকসভা নির্বাচনের পরেই তৃণমূল কোণঠাসা হয়ে যায় উত্তর ২৪ পরগনায়। হালিশহর, কাঁচরাপাড়া, নৈহাটি ও ভাটপাড়ার পুরসভা দখল করেছিল বিজেপি। মুকুল রায়ের নেতৃত্বে দিল্লি গিয়ে; বিজেপি-তে যোগ দেন ৫০জন তৃণমূল কাউন্সিলর।

আরও পড়ুন: বিমানের দরজায় আটকে মৃত এক টেকনিশিয়ান, কলকাতা বিমানবন্দরে চাঞ্চল্য

এর পরে বনগাঁ, গাড়ুলিয়া, দার্জিলিংয়ের মতো আরও বেশি কয়েকটি পুরসভা দখল করে পদ্ম বাহিনী। সাংবাদিক বৈঠকে একদা তৃণমূল কংগ্রেসের দাপুটে নেতা অর্জুন সিংয়ের সন্ত্রাস নিয়ে সরব হয়েছেন; খোদ পুরমন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ববি হাকিম। তৃণমূলের অভিযোগ; ভয় দেখিয়ে ওই কাউন্সিলরদের বিজেপি-তে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছিল তখন।

যদিও বিজেপির তরফ থেকে এই সব উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, সবাই ফিরে আসবে। তবে সবমিলিয়ে ২০২১ বিধানসভা ভোটের আগেই; জমে গেছে বাংলার রাজনীতি।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন