কুকুরের ডায়ালিসিস, ছেলে-বৌমাকে চাকরি, করোনা ইঞ্জেকশান চুরি, স্বাস্থ্যে উজ্জ্বল নির্মল

3665
কুকুরের ডায়ালিসিস, ছেলে-বৌমাকে চাকরি, করোনা ইঞ্জেকশান চুরি, স্বাস্থ্যে উজ্জ্বল নির্মল
কুকুরের ডায়ালিসিস, ছেলে-বৌমাকে চাকরি, করোনা ইঞ্জেকশান চুরি, স্বাস্থ্যে উজ্জ্বল নির্মল

কুকুরের ডায়ালিসিস; ছেলে বৌমাকে চাকরি; করোনা ইঞ্জেকশান চুরি; স্বাস্থ্যে উজ্জ্বল নির্মল। একের পর এক বিতর্কে নাম জড়িয়ে যাচ্ছে; তৃণমূল বিধায়ক নির্মল মাজির। অতীতে এসএসকেএম হাসপাতালে; কুকুরের ডায়ালিসিস করানোর চেষ্টা থেকে শুরু করে; একাধিক সরকারি চাকরির লিস্টে ছেলে-বৌমার নাম; সব জায়গায় উঠে এসেছে নির্মল মাজির নাম। মেডিক্যালে করোনা বিধি ভাঙার অভিযোগও উঠেছে; এই নির্মল মাজির বিরুদ্ধে। এমনকি সরকারি স্ট্রাইপেণ্ড দুর্নীতিতেও; জড়িয়েছে নির্মলের নাম। এবার তাঁর নাম জড়াল মেডিক্যাল কলেজ থেকে; করোনার চিকিত্‍সায় গুরুত্বপূর্ণ টসিলিজুমাব ইঞ্জেকশন হাতানোর ঘটনায়।

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে; গায়েব করোনা চিকিৎসার ইঞ্জেকশন। ১টা ২টো নয়; ২৬টা টসিলিজুমাব ইঞ্জেকশন তুলে নেওয়া হয়েছে; ৫টি রোগীর নাম দেখিয়ে। এই কেলেঙ্কারি নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছে; ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম। ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

আরও পড়ুনঃ ১ বছরে ৫ কোটি ম্যানগ্রোভ লাগানোর রিপোর্ট দিল বন দফতর, ‘অবাস্তব’ বলছেন উদ্ভিদবিদরা

মেডিক্যালে ইঞ্জেকশন কেলেঙ্কারি ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন; “কারও কথা শুনে; রাজনৈতিক অবস্থান নেব না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ; যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে”। ইঞ্জেকশন হাতানোর অভিযোগে নাম জড়িয়েছে; শাসকদল ঘনিষ্ঠ ডাক্তার দেবাংশী সাহার। ওই চিকিত্‍সকের সঙ্গে; সংশ্লিষ্ট সিস্টার ইনচার্জের কথোপকথনের একটি অডিও ক্লিপ; সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। অভিযুক্ত চিকিত্‍সক সেই অডিও ক্লিপে; শাসক দলের চিকিত্‍সক নেতা নির্মল মাজির নাম করেছেন।

আরও পড়ুনঃ বাংলা রাজনীতির নতুন সমীকরণ, মুকুল রায়ের স্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে অভিষেক

ইঞ্জেকশন কেলেঙ্কারির ঘটনার তদন্তে তৈরি হয়েছে কমিটি। সেই কমিটির শুনানিও শুরু হয়েছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকরা; এই ঘটনার পিছনে প্রভাবশালী তত্ত্ব খাড়া করেছেন। তাঁদের বক্তব্য; এসএসকেএম-এ কুকুর ডায়ালেসিস কাণ্ডের পর এত বড় কেলেঙ্কারির ঘটনা কলকাতার হাসপাতালে আগে ঘটেনি।

গত ২৪ এপ্রিল, কোভিড ওয়ার্ডের সিস্টার ইনচার্জের কাছ থেকে; ২৬টি টসিলিজুমাব ইঞ্জেকশন নিয়ে যান; শাসক ঘনিষ্ঠ এমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার দেবাংশী সাহা। নিয়ম না মেনে; কোনও রসিদ দেওয়া হয়নি। পরে প্যাথলজি বিভাগের রোগীর নমুনা পরীক্ষার ফর্মে; ভুয়ো প্রেসক্রিপশন দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। ইতিমধ্যে এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে; রাজনৈতিক চাপানউতোর। সমস্যার কেন্দ্রে সেই নির্মল মাজি। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন