চলুন বেরিয়ে পড়ি, নির্জনে চুপচাপ উটিতে পুজোর কটা দিন

292
চলুন বেরিয়ে পড়ি, নির্জনে চুপচাপ উটিতে পুজোর কটা দিন/The News বাংলা
চলুন বেরিয়ে পড়ি, নির্জনে চুপচাপ উটিতে পুজোর কটা দিন/The News বাংলা

‘মেঘ পিওনের ব্যাগের ভেতর মন খারাপের দিস্তা’ ; আর মন খারাপ হলেই ইচ্ছা করে; মেঘে ঘেরা পাহাড়ে এক ছুটে চলে যাই। আবার সামনেই পুজো। কলকাতার ভিড় এড়িয়ে চলে যেতে পারেন; দক্ষিণ ভারতের পাহাড় ঘেরা নগরী উটিতে! তামিলনাড়ুর নীলগি়রি পাহাড়ের কোলে; এই এলাকায় পৌঁছতে পার হতে হয় পাকদণ্ডি পাহাড়ি রাস্তা। আর তারপরেই ছুঁয়ে দেখা যায় মেঘে ঘেরা এই শহরকে। উটি বেড়ানোর কিছু খুঁটিনাটি বিষয়; আসুন দেখে নেওয়া যাক একনজরে।

উটিতে কোন সময়ে বেড়াতে যাওয়া ভালো? ঘুড়তে যাওয়ার জন্য উটি সবসময় ভাল! অনেক নামী ব্যক্তিদের বর্তমান বাসস্থান উটি। তার কারণ একটাই; মনোরম আবহাওয়া এই এলাকাকে সারা বছর জড়িয়ে রাখে।

কীভাবে যাবেন নীলগিরির অরণ্য নগরীতে? উটির যাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় কোয়েম্বাট্যুর; বিমান বা ট্রেন পথে তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাট্যুর পৌঁছে গেলেই; সেখান থেকে সড়ক পথে উটি যাওয়া যায়। সড়ক পথে উটি যাওয়ার জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্য পরিবহন নিগমের বাসের ব্যবস্থা; রয়েছে ট্যাক্সিও। কোয়েম্বাট্যুর থেকে উটির দূরত্ব মাত্র ৩ ঘণ্টার। কোয়েম্বাট্যুর থেকে উটি একদিনের ট্রিপের খরচ ৩-৪ হাজারের মধ্যে। তবে সময় বিশেষে খানিকটা বদলেও যায় খরচ।

পুজোর ছুটিতে বেড়াতে যাচ্ছেন, ভারতের কোথায় কোথায় যাওয়া নিষেধ

অন্য পথে উটি! যদি মনে করেন উটি যাওয়ার সফরটাকে রোমাঞ্চকর করে তুলবেন; তাহলে মাইসুরু থেকে ভোরবেলা সড়কপথে যাত্রা শুরু করতে হবে। সময় লাগবে মোট ৩ ঘণ্টা। সফরের আগের রাতে পৌঁছে যান মাইসুরু। এই সফরে প্রচুর বাসযাত্রার প্যাকেজ যেমন রয়েছে; তেমনই রয়েছে প্রাইভেট কার-এর বন্দোবস্ত। সড়ক পথে মাইসুরু থেকে ভোর ৫ টা নাগাদ বেরিয়ে যেতে পারলে; ৬টার মধ্যে ঢুকে যাবেন বন্দিপুর জঙ্গলে।

এরপর শুরু হবে জঙ্গলের ভিতর দিয়ে উটির উদ্দেশে যাত্রা। গাড়ি ছুটবে জঙ্গল দিয়ে। সকাল সকাল গাড়ি বন্দিপুর জঙ্গলে ঢুকতেই; ময়ূর থেকে হরিণ , কিম্বা হাতির দল আপনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত থাকবে জঙ্গলের মধ্যে। একাধিক দৃষ্টি আকর্ষক গাছের সমাহার, আর তার মধ্যে প্রাণীদের নিজের সারল্যে থেলে বেড়ানোর দৃশ্য সুযোগ পেলে ক্যামেরাও বন্দি করে নিতে পারেন!

উটিতে হোমস্টেঃ সবুজের কোলে একাধিক হোমস্টে নিয়ে হাজির উটি। শহরজড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বহু হোমস্টে। রয়েছে টুস্টার, থ্রিস্টার হোটেলও। তবে দুর্গা পুজো আর শীতের দিকে পর্যটকদের ভিড় বেশি থাকায়; বুকিং আগে থএকে করে নেওয়া ভালো। হোটেলের বুকিং এর খরচ ১০০০ টাকা থেকে শুরু হয়।

এক ঝলকে দেখে নিন কি কি দেখবেনঃ নীলগিরি মাউন্টেন রেলওয়ে থেকে যদি সফর উপভোগ শুরু করেন, তাহলে পাইকারা ফলস আর লেক, উটি লেক,বটানিক্যাল গার্ডেন, টি মিউজিয়াম,ল্যাম্বস রক, রোজ গার্ডেন, এমারেল্ড লেক,দোদাবেত্তা, অ্যাভালঞ্চে লেক , ওয়েনলক হিল, একদমই মিস করবেন না।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন