ট্রেন বাস বন্ধ মরছে গরিব, অবস্থাপন্নের মুখে হাসি, খোলা বার হোটেল

1278
ট্রেন বাস বন্ধ মরছে গরিব, অবস্থাপন্নের মুখে হাসি, খোলা বার হোটেল
ট্রেন বাস বন্ধ মরছে গরিব, অবস্থাপন্নের মুখে হাসি, খোলা বার হোটেল

ট্রেন বাস বন্ধ মরছে গরিব, অবস্থাপন্নের মুখে হাসি; কারণ খোলা বার-হোটেল-রেস্তোরা। করোনা মোকাবিলায়, বাংলায় বাড়ল; বিধিনিষেধের মেয়াদ। আগামী ১লা জুলাই পর্যন্ত বহাল থাকবে; পূর্বনির্ধারিত বিধিনিষেধ। বিধিনিষেধে বেশ কিছু ছাড় দিলেও; ১লা জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ট্রেন-বাস-পরিবহন। যার জেরে চরম অসুবিধায়; বাংলার কোটি কোটি মানুষ। কয়েক কোটি সাধারণ মানুষ; ট্রেনের হকার; বেসরকারি চাকরিজীবী; চরম সমস্যায় সবাই। তবে গরিবের চোখে জল এলেও, হাসি ফুটেছে; অবস্থাপন্ন-দের মুখে। খুলেছে বার-রেস্তোরা-হোটেল। আর এখানেই প্রশ্ন তুলেছেন; সাধারণ মানুষ।

মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ও গরিবদের কথা কি; কেউ ভাববে না? সবাই ভেবেছিলেন; মঙ্গলবার থেকেই চালু হবে ট্রেন-বাস-পরিবহন। আগামী ১৫দিনের জন্য; বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে রাজ্য। ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে; সরকারি অফিস চলবে। বেসরকারি অফিস সকাল ১০টা থেকে; বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে; কাজ করা যাবে। একইসঙ্গে খুলছে শপিং মল; রেস্তোরাঁ ও বার।

আরও পড়ুনঃ বাস ট্রেন বন্ধ, খোলা বার রেস্তোরাঁ, উড়ে যাবার জন্য ডানা খুঁজছে বাঙালি

কিন্তু এখনই চালু হচ্ছে না কোনরকম; পাবলিক পরিবহণ। ট্যাক্সি অটো চলবে; শুধু জরুরী পরিষেবার জন্য। তাহলে রেস্তোরাঁ-বারে-শপিং মলে; মানুষ যাতায়াত করবে কিভাবে? উঠেছে প্রশ্ন। দোকান বাজার খোলা থাকবে; সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত; অন্যান্য দোকান খোলা থাকবে। দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত; রেস্তোরাঁ-বার-হোটেল খোলা থাকবে। সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত; খোলা থাকবে শপিং মল। ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে; খোলা যাবে শপিং মল। সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ ক্রেতা; একসঙ্গে শপিং মলে যেতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ ‘ক্ষমতায় থাকতেই হবে’, ‘চামড়ামোটা’ লজ্জাহীন লোভী নেতাদের দেখে হাসছে বাংলার মানুষ

কিন্তু মানুষ এইসব জায়গায়; যাবেন কিভাবে? সাধারনের জন্য পরিবহণ; সম্পূর্ণ বন্ধ। বাস-ট্যাক্সি-অটো-মেট্রো; এখনই চালাবে না রাজ্য। পরিবহণ নিয়ে আলোচনা হবে; ১লা জুলাই এর পরে। শুধুমাত্র স্টাফ স্পেশাল ট্রেনই; চালু থাকবে। মঙ্গলবার থেকে খুলে যাচ্ছে; সরকারী ও বেসরকারি অফিসও। হাওড়া, হুগলী, দুই বর্ধমান, নদীয়া, দুই ২৪ পরগণা থেকে; কলকাতায় কাজ ও বেসরকারি অফিসে আসা মানুষের সংখ্যা প্রায় কয়েক কোটি। তাঁদের সমস্যার কথা কি সরকার ভাববে না? উঠেছে প্রশ্ন।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন