গুপ্তধনের সন্ধানে, সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে দুশো বছরের পুরনো সিন্দুক উদ্ধার

394
গুপ্তধনের সন্ধানে, সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে দুশো বছরের পুরনো সিন্দুক উদ্ধার/The News বাংলা
গুপ্তধনের সন্ধানে, সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে দুশো বছরের পুরনো সিন্দুক উদ্ধার/The News বাংলা

গুপ্তধনের সন্ধানে; সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে দুশো বছরের পুরোনো সিন্দুক উদ্ধার। সিন্দুক নিয়ে কৌতুহল কম নয়। সিন্দুক শুনলেই; আমাদের মনে প্রথমেই আসে সিন্দুকের ভেতরে কি থাকতে পারে। যার তালিকায় অবশ্যই থাকে; গয়না অথবা টাকা পয়শা। এবারই এমনই এক সিন্দুকে সন্ধান মিলল শহরের এক বিশ্ববি্যালয়ে। দুশো বছরের প্রাচীন সিন্দুক উদ্ধার করা হল; সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে। সিন্দুকটি বিদ্যাসাগরের সমসাময়িক; সূত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে।

ব্রিটিশদের সময়কালের এই সিন্দুকটি, এই তথ্যও সামনে এসেছে। শুক্রবার সকালে সংস্কৃত কলেজের গোডাউন থেকে সিন্দুকটি উদ্ধার করা হয়। গোডাউন পরিস্কার করাতে গিয়ে; সর্বপ্রথম উপাচার্যের চোখে পড়ে ওই সিন্দুকের উপস্থিতি। এরপরেই সিন্দুকটি দেখতে গোডাউনে ভিড় জমাতে শুরু করেন; বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকি কর্মীরা। পরে সিন্দুকটি উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় উপাচার্যের ঘরে।

আরও পড়ুন: উপনির্বাচনের হারের ওষুধ বের করে ফেললেন দিলীপ

বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে সিন্দুকটি ভাঙার চেষ্টা চলছে। একটি তালা ভাঙা গেলেও; সিন্দুকে মেন লক এখনও খোলা যায়নি। যিনি দীর্ঘ সময় ধরে সিন্দুকটি খোলার চেষ্টা করছেন; তাকে যথষ্ট বেগ পেতে হয় এত পুরোনো সিন্দুক খুলতে। সিন্দুক খুলতে গিয়ে চারটি চাবি ভেঙে যায়। দু শো বছরের পুরোনো ওই সিন্দুকে বহু প্রাচীন নথি রাখা থাকতে পারে; এমন সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। সিন্দুকটির একটি লকার থেকে ১৮২৯ সালের একটি অ্যাটেন্ডেস খাতা পাওয়া যায়। সেই অ্যাটেন্ডেন্স খাতায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম পাওয়া গিয়েছে। ২৬৪ রোল নম্বরে তার নামটি পাওয়া যায়। সেই সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্বাক্ষরও পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: বাংলায় রামকে পথে বসাল বাম জোট

যে লকারটি খোলা গিয়েছে; সেখান থেকে একটি পাশবুক পাওয়া গিয়েছে। জানা যাচ্ছে; বিদ্যাসাগরের সময়ে ছাত্রদের জন্য যে ফান্ড তৈরি করা হয়; এটি তার নথি সংক্রান্ত পাশবুক। এখনও সিন্দুক ভাঙা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

একের পর এক চাবি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারেন; চাবি দিয়ে সিন্দুকটি খোলা সম্ভব নয়। পরে তালা ভাঙার জন্য অন্য কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার কথা এখনও জানায়নি কর্তৃপক্ষ। তবুও শেষ চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ক্রমশ রোমাঞ্চকর হয়ে উঠছে গোটা বিষয়টি।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন