শ্রী শ্রী লোকনাথ বাবার অজানা জীবনী

223
শ্রী শ্রী লোকনাথ বাবার অজানা জীবনী/The News বাংলা
শ্রী শ্রী লোকনাথ বাবার অজানা জীবনী/The News বাংলা

২৪পরগনা জেলায় চাকলা গ্রামে; শ্রী শ্রী বাবা লোকনাথ ব্রক্ষচারী জম্নগ্রহন করেন৷ রামনারায়ন ছিলো তার বাবার নাম; মায়ের নাম কমলা দেবী৷ লোকনাথের বাবা ছিলেন; একজন ধার্মিক ব্রাক্ষন৷ বাবা মায়ের চতুর্থ সন্তান ছিলেন বাবা লোকনাথ৷ সে সময়কার মানুষদের ধারনা ধ্যান ছিলো যে; কোনো এক পুত্রকে যদি সন্ন্যাস ধর্ম গ্রহন করা যায় তাহলে তার বংশ উদ্ধার হয়ে যায়।

রামনারায়ন তার সব ছেলেকে; সন্ন্যাস গ্রহন করানোর জন্য চেষ্টা করছিলেন; কিন্তু কমলার দেবীর জন্য হয়ে উঠেনি৷ তবে লোকনাথের বেলায় সেটা আর হয় নি৷ রামনারায়ন বাবা লোকনাথকে সন্নাস গ্রহন করার জন্য ১১ বছরের মধ্যে উপনয়নের সমাপ্ত করেন৷

আরও পড়ুনঃ কৌশিকী অমাবস্যায় তারা মায়ের পুজো করলেই, জীবনে সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি

তারপর পাশ্ববর্তী গ্রামের ভগবান গাঙ্গুলীর হাতে তুলে দেন বাবা লোকনাথকে৷ এই সময়; লোকনাথের সাথে সঙ্গী হন লোকনাথের বাল্যকালের বন্ধু বেনীমাধব৷ লোকনাথের নাম দিয়েছিলেন ভগবান গাঙ্গুলী নিজেই৷

উপনয়ন শেষে লোকনাথ; বেনীমাধব ও ভগবান গাঙ্গুলী পদযাত্রা শুরু করে প্রথমে কালীঘাটে গিয়ে গুরুর আদেশে যোগসাধনাও ব্রত শেষ করেন৷ কিছুদিনের মধ্যেই; বাবা লোকনাথ ব্রক্ষজ্ঞান লাভ করেন৷ তারপর তিনি দেশ ভ্রমন শুরু করেন৷ প্রথমে যান হিমালয়ে তারপর কাবুল দেশে৷ সেখানে মোল্লা সাদী নামে এক মুসলমানদের সঙ্গে কোরান ও বেদ এবং আরো অনেক শাস্ত্র নিয়ে আলোচনা শুরু করেন৷

গুরুদেব ভগবান গাঙ্গুলী শিষ্য দুজনকে শ্রী তৈলঙ্গস্বামীর হাতে তুলে দিয়ে পরলোক গমন করেন। লোকনাথ ও বেনীমাধব সুমেরু থেকে চন্দ্রনাথ পর্বতে আসেন। সেখান থেকে লোকনাথ ও বেনীমাধব বিভক্ত হয়ে যান। বেনীমাধবের নিকট থেকে বিদায় নিয়ে; লোকনাথ একা চলে আসেন কামাখ্যা হয়ে ত্রিপুরা জেলার দাউদকান্দি গ্রামে।

বারদীর জমিদার বাবার থাকার জন্য জমি দান করেন; বাবা নিজ পছন্দের জমিতে মহা ধুমধামের সাথে আশ্রম স্থাপন করেন। বাবার আশ্রমের কথা শুনে দেশ-দেশন্তার হতে বহু ভক্তগন এসে ভিড় জমাতে থাকেন। ভক্তগনের মনের অভিব্যাক্তি তারা বাবার কাছে যাই চায় তাই পায়। এ ভাবে একটু সময়ের ব্যাবধানেই বাবার আশ্রম তীর্থভূমিতে পরিণত হয়। কোন এক সময় ভাওয়ালের মহারাজ বাবার অনুমতি নিয়ে বাবার ফটো তুলে রাখেন। যে ফটো বর্তমান ঘরে ঘরে পূজিত হয়।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন