বাজল ভোটের ঢাক, পুজোর আগেই কি বাংলায় পুরভোট

3399
বাজল ভোটের ঢাক, পুজোর আগেই কি বাংলায় পুরভোট
বাজল ভোটের ঢাক, পুজোর আগেই কি বাংলায় পুরভোট

বাজল ভোটের ঢাক! পুজোর আগেই কি বাংলায় পুরভোট ? পুরসভা ভোট নিয়ে ফের তৎপরতা। মহামারী আইন শিথিল করে; পুজোর আগে ভোট করাতে চায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবার থেকেই আনলক শুরু হল; দেশের নন কনটেইনমেন্ট জোনগুলি। খুলতে শুরু করেছে একের পর এক মল, মন্দির, দোকান-পাট। রাজ্যেও এবার লকডাউন শিথিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে; পুরভোট নিয়ে তৎপরতা শুরু করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। খুব শীঘ্রই, পুরভোট নিয়ে চিঠি দেওয়া হবে রাজ্যকে।

এপ্রিল মাসেই পুরোভোটের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হলেও; করোনা আবহে তা আর হয়ে ওঠেনি। এবার লকডাউন শিথিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে; রাজ্যে বকেয়া পুরো ভোট নিয়ে তৎপরতা শুরু করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। করোনা রুখতে দেশজুড়ে জারি থাকা মহামারী আইন শিথিল করে; ভোট করানো যায় কিনা সে বিষয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় কমিশন। খুব তাড়াতাড়ি চিঠি দিয়ে; এ ব্যাপারে, রাজ্য সরকারের মতামত জানতে চাওয়া হবে বলে রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ খুলে গেল অফিস, কবে থেকে চলবে লোকাল ট্রেন

করোনা রুখতে দেশজুড়ে জারি থাকা আইন; শিথিল করেও ভোট করানো যায় কিনা সে নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় কমিশন। চিঠি দিয়ে এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারের মতামত জানতে চাওয়া হবে বলে; রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। মার্চ মাসে স্বীকৃত সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে; বৈঠকের পর রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস; অনির্দিষ্টকালের জন্য ভোট পিছিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুনঃ সোমবার থেকে খুলছে অফিস, ট্রেন চালাতে রাজ্যের কাছে নিরাপত্তা চাইল রেল

এরপর শুরু হয় লকডাউন। ফলে রাজ্যে পুরভোট নিয়ে আর কোনোরকম; অগ্রগতি হয়নি এই আড়াই মাস। লকডাউন এর মধ্যেই রাজ্য সরকারের তরফে; ভোট না হওয়া সব পুরসংস্থায় বসানো হয়েছে প্রশাসকমন্ডলী। তাঁরাই এখন ওই সব পুরসংস্থার কাজকর্ম পরিচালনা করছেন। কিন্তু এভাবে দীর্ঘদিন চলা সম্ভব নয়। তাই কমিশন চাইছে পুজোর আগে বা পুজোর পরেই; প্রয়োজনে মহামারি আইন শিথিল করে; কলকাতা পুরনিগম সহ রাজ্যের অনান্য পুরসংস্থাগুলিতেও নির্বাচন হয়ে যাক।

আরও পড়ুনঃ অ্যালকোহলে আপত্তি, বন্ধই থাকল মথুরা বৃন্দাবনের মন্দির

তবে, এই রকমের পরিস্থিতিতে ভোট করা যাবে কিনা; সেটা যেমন দেখে নেওয়া হবে; তেমনি বিধানসভা নির্বাচনের আগে; একটা নির্বাচনী লড়াইয়ের মাঠও তৈরি করে নেওয়া যাবে। কোথায় কী ধরনের খামতি থাকছে; তা দেখে রাজ্য নির্বাচন কমিশন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিটা করে নিতে পারবে। তাই, রাজ্য সরকারকে মহামারি আইন শিথিলতার জন্য চিঠি দেওয়ার পাশাপাশি; নির্বাচন কমিশন চাইছে একটা সর্বদলীয় বৈঠক ডেকে সব রাজনৈতিক দলগুলির মতামত নিতে।

বিশেষ করে প্রচারের ক্ষেত্রে কতটা ছাড় দেওয়া যেতে পারে; ভিড় এড়াতে সেটা নিয়ে আলোচনা করতে চায় কমিশন। এরই পাশাপাশি ভোট কীভাবে হবে; তাঁরা তা নিয়েও আলোচনা চালাতে চায়। ভোট কিসে হবে; ইভিএমে না ব্যালট পেপারে। যদিও রাজ্য সরকার চায় ভোট হোক ব্যালট পেপারে। রাজ্য নির্বাচন কমিশন অবশ্য ইভিএম ও ভিভিপ্যাট ব্যবস্থা; করে রেখে দিয়েছে বলেই শোনা যাচ্ছে। তবে রাজ্য সরকার ব্যালট পেপারে ভোট চাইলে; সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বিরোধের পথে নাও হাঁটতে পারে। তবে বিরধিতা করবে বিরোধী দলগুলি।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন