লাল বাতির পুলিশের গাড়িতে থানার পাশেই মদের আসর, পুলিশের গাড়িতেই গাঁজা পাচার

1374
লাল বাতির গাড়িতে থানার পাশেই মদের আসর, পুলিশের গাড়িতেই গাঁজা পাচার
লাল বাতির গাড়িতে থানার পাশেই মদের আসর, পুলিশের গাড়িতেই গাঁজা পাচার

লাল বাতির পুলিশের গাড়িতে থানার পাশেই মদের আসর; আবার পুলিশের গাড়িতেই গাঁজা পাচার। চন্দননগর ও নবদ্বীপ থানার দুটি ঘটনা; চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল; পুলিশের স্টিকার লাগানো গাড়ি মানেই কিন্তু পুলিশের গাড়ি নয়। হুগলীর চন্দননগরে মদ্যপ অবস্থায়; পুলিশের জালে ধরা পড়ল ভুয়ো ডিএসপি সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী; বাড়ি চন্দননগরের বক্সি গলিতে। চন্দননগর থানার ১০০ মিটারের মধ্যে হুটার; ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্টিকার সাঁটানো স্করপিও গাড়িতে বসে; দুই সঙ্গীর সঙ্গে রীতিমতো মদের আসর বসিয়েছিল ফেক পুলিশ সিদ্ধার্থ। পরনে ছিল ডিএসপি পদমর্যাদার; পুলিশ অফিসারের পোশাক। তাতেও শেষরক্ষা হয়নি।

চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিশ; সিদ্ধার্থ ও তার দুই সঙ্গীকে থানায় নিয়ে যান। পুলিশের দাবি, নিজের কুকীর্তির কথা; স্বীকার করে নিয়েছে সে। ধৃত সিদ্ধার্থ, চন্দননগরের একটি কলেজ থেকে; ইংরেজিতে অনার্স নিয়ে পাস করে। এরপর বেশ কিছুদিন সে; বিভিন্ন ব্যক্তির গাড়ি চালাত। পরবর্তীকালে একটি ওষুধের কোম্পানিতে; মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভের কাজ করে। পরে কাজ ছেড়ে দিয়ে ভুয়ো ডিএসপি অফিসারের পরিচয় দিয়ে; বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা শুরু করে। বছর তিনেক আগে বিয়েও করেছে; স্ত্রী একটি বেসরকারি নামী ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের শিক্ষিকা।

আরও পড়ুনঃ ভবানীপুর বিধানসভায় মমতার বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী কি বিশ্বজিত সরকার

নদীয়ার নবদ্বীপে আবার, পুলিশের গাড়িতেই; লক্ষাধিক টাকার গাঁজার পাহাড়! নবদ্বীপ থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তম ঘোষ নামে ধৃত যুবক; পুলিশের স্টিকার লাগানো গাড়িতে করেই দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা পাচার করত। পুলিশের স্টিকার লাগানো গাড়ি দেখে; প্রথম দফায় সন্দেহ করেননি কেউ। কিন্তু, দায়িত্বরত পুলিশ অধিকর্তাদের সন্দেহ হতেই; গাড়িটিকে আটক করেন তাঁরা। তারপরেই চক্ষু চড়কগাছ সকলের; গাড়ির ভেতরে গাঁজার পাহাড়।

আরও পড়ুনঃ ভবানীপুর বিধানসভায় উপ নির্বাচন হবে তো, কলকাতা হাইকোর্টে মুখ্যমন্ত্রীর ভাগ্য

নবদ্বীপ পৌরসভার; ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা উত্তম। বুধবার রাতে, অভিযুক্তকে গাঁজার গাড়ি সহ; ফরেস্টডাঙা মোড় থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অত রাতে ওই এলাকায়; পুলিশের গাড়ি দেখেই সন্দেহ হয়। তখনই গাড়িটিকে আটকে রেখে তল্লাশি চালাতেই; ২২ কিলো গাঁজা উদ্ধার হয়। ঘটনায় কোনও পুলিশ আধিকারিক জড়িত কি না; তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও, নিজের বিরুদ্ধে আসা সমস্ত অভিযোগ; অস্বীকার করেছেন ধৃত উত্তম ঘোষ।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন