কাটমানি দুর্নীতি কান্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়, তৃণমূল কর্মীর রহস্যমৃত্যু

5103
কাটমানি কান্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়, তৃণমূল কর্মীর রহস্যমৃত্যু/The News বাংলা
কাটমানি কান্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়, তৃণমূল কর্মীর রহস্যমৃত্যু/The News বাংলা
Simple Custom Content Adder

কাটমানি দুর্নীতি কান্ডে এবার এক তৃণমূল কর্মীর রহস্যমৃত্যু। মৃতের নাম পূর্নেন্দু চট্টোপাধ্যায়। এই ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়; বর্ধমানের নীলপুরে। মঙ্গলবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন; এই তৃণমূল কর্মী। তারপরই এদিন সকালে; তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

৫৫ বছর বয়সী পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় ছিলেন; বড়নীলপুরের দক্ষিণ শক্তিপাড়ার বাসিন্দা। পরিবারের তরফে জানা গেছে; মঙ্গলবার এলাকার কয়েকজন; তাঁদের বাড়িতে চড়াও হয়। বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসীর একাংশ। কাটমানি ফেরতের দাবিতেই এই বিক্ষোভ হয়; বলেই জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ কাটমানি কেলেঙ্কারি, মমতাও সৎ নন ইঙ্গিত কাটমানি নিয়ে ফ্যাসাদে তৃণমূল নেত্রীর

আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরীর ক্ষেত্রে; ৩০ হাজার টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগ জানানোর সময়; তিনি বাড়ি ছিলেন না। তাই সেইসময় পূর্ণেন্দুবাবুকে না পেয়ে; বিক্ষোভকারীরা তার বাড়ির গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। এমনকি বাড়ির দেওয়ালে পোস্টারও লাগানো হয়; কাটমানি ফেরতের দাবিতে।

আরও পড়ুনঃ কাটমানি ফেরত দিয়ে নিজের দুর্নীতি স্বীকার তৃণমূল নেতার, আনন্দে ভাসছে গ্রামবাসী

পূর্ণেন্দুবাবুর পরিবারের দাবি, এরপরই পূর্নেন্দুবাবুকে; আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এদিন সকালে শ্রীরামপুর থেকে উদ্ধার হয়; পূর্ণেন্দুবাবুর মৃতদেহ। ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে; পরিবার ও তৃণমূলের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। প্রতিবাদ জানিয়ে থানায় বিক্ষোভও দেখান তারা। এই পরিস্থিতির কারণ হিসেবে রাজ্যের শাসকদল; বিজেপিকেই দায়ি করেছে।

আরও পড়ুনঃ শুধু কাটমানি দুর্নীতি নয়, তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে পুকুর চুরির অভিযোগ এল মমতার কাছে

ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান পুলিশ। আটক করা হয়েছে তিন জনকে। বিজেপির দিকে তোলা অভিযোগ; অস্বীকার করেছে জেলা বিজেপি নেতারা। জেলার বিজেপি সভাপতি সন্দীপ নন্দী জানান, “বিজেপি এই ধরণের কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকে না। ওই এলাকায় বিজেপির কোনো সংগঠন নেই। বিজেপিকে বদনাম করার জন্যই এই অপপ্রচার করছে শাসক দল”।

অন্যদিকে নিহত ব্যক্তি; কাটমানি কান্ডে জড়িত ছিলেন বলে এলাকাবাসীর কেউ কেউ দাবি করেছেন। সরকারের নির্দেশ, ঘটনাটি যেখানে যেভাবে হয়েছে সেখানকার পুলিশি তদন্ত চালিয়ে যেন তার নিরশন ঘটানো হয়। কাটমানি ফেরতের দাবী ওঠাতেই; কি আত্মহত্যা? না রাজনৈতিক বা অন্য কারণে খুন; তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন