শিলিগুড়িতে রাহুলের হেলিকপ্টার নামার নামার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি রাজ্য সরকারের। এতদিন বিজেপির নেতাদের হেলিকপ্টার বাংলায় নামার মাঝে মাঝেই অনুমতি পাচ্ছিল না বলেই অভিযোগ ছিল। এবার শিলিগুড়িতে রাহুলের হেলিকপ্টার নামার নামার অনুমতি দিল না রাজ্য সরকার। অসহযোগিতার অভিযোগ কংগ্রেসের তরফে। তবে সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে নবান্ন।
আরও পড়ুনঃ হিন্দু ও বৌদ্ধ ছাড়া দেশ থেকে তাড়ানো হবে বাকি অনুপ্রবেশকারীদের
রাজ্যে বিজেপি নেতাদের সভা করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে অথবা অন্য রাজ্য থেকে আসা বিজেপি নেতাদের এই রাজ্যে হেলিকপ্টার অবতরনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হচ্ছে, এই ধরনের অভিযোগ গত দুই মাসে বিজেপির তরফে একাধিকবার শোনা গিয়েছে। আর এবার খোদ কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর হেলিকপ্টার অবতরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলো রাজ্য সরকার। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার কথা ভাবছে কংগ্রেস।
আরও পড়ুনঃ অস্ত্র নিয়ে রামনবমী পালন না করলে হিন্দুদের অস্তিত্ব থাকবে না
আগামী ১৪ই এপ্রিল শিলিগুড়িতে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর জনসভা হবার কথা। কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছিলেন, কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী ও অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়কে জেতানোর জন্য কাজ করছে আরএসএস। বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেস ইতিবাচক ভাবে লড়ছে না বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন। এবার সেই রাহুলের হেলিকপ্টার নামার অনুমতি দিল না প্রশাসন।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ভোটে তৃণমূলের সন্ত্রাস, নির্বাচন কমিশন দফতরে মুকুল রায়ের বিক্ষোভ
গত ১০ই এপ্রিল রায়গঞ্জের করণদিঘির জনসভায় রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করেন। রাহুল বলেন, কংগ্রেসের সঙ্গে বিজেপির জোট করার কোনও অতীত ইতিহাস নেই, কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস আগেও বিজেপির সাথে জোট করেছে বলে রাহুল স্মরণ করিয়ে দেন। এর জেরে জোট ভাঙার জন্য তৃণমূলকে দায়ি করে বিজেপির সঙ্গে আঁতাত এর ইঙ্গিত দেন কংগ্রেস সভাপতি।
আরও পড়ুনঃ অভিনন্দনের ছবি ব্যবহার করে বন্ধ হোক ভোট প্রচার দাবি সেনাকর্তাদের
শুধু এবারই প্রথম নয়, এর আগেও মালদার জনসভা থেকে রাহুল গান্ধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একতরফা আক্রমণ করেছিলেন। মালদার জনসভা থেকে রাজীব পুত্র তুলোধুনো করতে ছাড়েননি রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে।
আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় দফা ভোটে আরও ২৫ কোম্পানি সশস্ত্র বাহিনী আসছে বাংলায়
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইঙ্গিত করে তিনি বলেছিলেন, বাংলায় একজনই শাসন চালাচ্ছে। এরকম একনায়কতান্ত্রিক শাসন চলা উচিৎ কিনা, সেই প্রশ্নও জন অসাধারণের উদ্দেশ্যে ছূড়ে দিয়েছিলেন তিনি। বামফ্রন্টের আমলে কংগ্রেস কর্মীরা আক্রান্ত হত এবং তা এই মুহূর্তে তৃণমূল সরকারের সময়েও সেটা অব্যাহত আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন সেদিনের জনসভায়।
আরও পড়ুনঃ সেনার পোশাকে বুথে রাজ্য পুলিশ কর্মী, গাদা বন্দুক নিয়েই ধরা পরে গেলেন
মমতার রাজ্যে সারাক্ষন ভাষন চলে, কিন্তু কাজের কাজ হয়না। বাংলায় জনগনের কথার মূল্যায়ন করা হয়না বলেও তিনি উল্লেখ করেছিলেন। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে অনেক সহ্য করা হয়েছে বলে এবার পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। তবে সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। রাহুলের মত হেভিওয়েটের হেলিকপ্টার নামার পজিসন নেই বলেই জানান হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ শুধু কোচবিহারে ছাপ্পা ও সন্ত্রাস আটকাতে না পেরে লজ্জায় বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন
যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাহুল কে বাচ্চা ছেলে বলে সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু মমতা আর রাহুল এর এই দ্বৈরথের ফলেই রাহুলের এই রাজ্যে হেলিকপ্টার নামার অনুমতি না দিয়ে তাঁর জনসভার ওপর কোপ বসাল রাজ্যের শাসক দল, এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীকে যারা চাইছেন তারা চোর, জোচ্চোর, বদমায়েশ, বাঁকুড়ায় অভিষেক
আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।



















