চলে গেলেন ৪২ এর স্বাধীনতা আন্দোলনের শেষ জীবিত সৈনিক

393
চলে গেলেন ৪২ এর স্বাধীনতা আন্দোলনের শেষ জীবিত সৈনিক/The News বাংলা
চলে গেলেন ৪২ এর স্বাধীনতা আন্দোলনের শেষ জীবিত সৈনিক/The News বাংলা
Simple Custom Content Adder

শেষ হল একটা যুগ। শেষ হয়ে গেল ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একটা অধ্যায়। ৪২ এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের এক সৈনিক চলে গেলেন আমাদের ছেড়ে। টানা ১৬ দিন হাসপাতালে লড়াই করার পর হার মানলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী, সোমরা ওঁরাও।

আরও পড়ুনঃ পাঁচে পাঁচ, ভোট হয়ে যাওয়া বাংলার ৫টি আসনেই জিতবে বিজেপি, দাবি মুকুল রায়ের

শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার শেষ স্বাধীনতা সংগ্রামী সোমরা ওঁরাও। টানা ১৬ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর হার মানলেন তিনি। ২ এপ্রিল থেকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় হাসপাতালে ভরতি ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের বোকামিতে বাংলার ফিল্ম সিরিয়াল পরিচালকদের মাথায় হাত

এদিন বিকেল ৩:৩০ মিনিটে বালুরঘাট হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন সোমরা ওঁরাও। জানা গিয়েছে, মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০৭ বছর। ৪২-এর “ভারত ছাড়ো” আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন ব্লকের কৈকুরি গ্রামের বাসিন্দা সোমরা ওঁরাও।

আরও পড়ুনঃ পয়সা দিয়ে আনা হয় সেলিব্রিটিদের, বিদেশি অভিনেতা প্রসঙ্গে বেফাঁস কল্যাণ

দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন তিনি। বেশ কয়েকমাস আগে থেকেই একটু একটু করে দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি হারাতে থাকেন। ২ এপ্রিল শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বালুরঘাট হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল তাকে। ১৬ দিন হাসপাতালে থাকার পর বৃহস্পতিবার মারা যান তিনি।

আরও পড়ুনঃ ফিরদৌসের পর গাজী নূরকে বাংলাদেশ ফেরত পাঠাল ভারত সরকার

অবশেষে এদিন বিকেল এদিন বিকেল ৩:৩০ মিনিটে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন জেলার শেষ স্বাধীনতা সংগ্রামী সোমরা ওঁরাও। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত গোটা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাবাসী। তার প্রয়াণে জেলার শেষ স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাকে হারাল জেলাবাসী। শোকাহত গোটা বাংলা। যাঁরা তাঁর নাম শুনেছেন প্রত্যেকেই শোক প্রকাশ করেছেন তাঁর মৃত্যুতে।

আরও পড়ুনঃ রিভালবার নিয়ে বুথে ঢুকে ভোট দেওয়ায় সঞ্জয় দত্তকে শোকজ করল নির্বাচন কমিশন

১৯৪২ এর মহাত্মা গান্ধীর ডাকে ভারত ছাড়ো আন্দোলনে যোগ দেন সোমরা ওঁরাও। সেই সময় বালুরঘাট থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে পারিলাহাটে ব্রিটিশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে ছিলেন কয়েকশো মানুষ। সেদিনের তরুন সোমরার ডাকে অন্যান্য সম্প্রদায়ের পাশাপাশি আদিবাসীরাও পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে দেশমাতাকে উদ্ধার করতে তীর-ধনুক নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সোমরা।

আরও পড়ুনঃ মহিলা লাঞ্ছনাকারীদের মাথায় তুলছে কংগ্রেস, বিষ্ফোরক কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা

১৯৪২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর স্থানীয় কৈকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা সোমরা ওঁরাও-এর নেতৃত্বে পারিলাহাটে ভারত ছাড়ো আন্দোলন শুরু হয়। গান্ধীজির মতের সঙ্গে না মিললেও সোমরাকে দেখে কয়েকশাও আদিবাসী তীর ধনুক নিয়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে রীতিমতো যুদ্ধে নেমে পড়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ ইসলামপুরে ছাপ্পা ভোট রুখলেন মহম্মদ সেলিম, রাগে গাড়িতে ভাংচুর দুষ্কৃতীদের

তীর ধনুক বল্লম নিয়েই ইংরেজদের বিরুদ্ধে অসম লড়াইয়ে নেমে পড়েছিলেন আদিবাসীরা। সামনে ছিলেন এই সোমরা ওঁরাও। আজ তিনিও জীবনের সব লড়াই শেষ করে চলে গেলেন পরপারে। শেষ হল সংগ্রামের একটা যুগ।

আরও পড়ুনঃ পুরুলিয়ায় আবার বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার
আরও পড়ুনঃ চোপড়া বাস স্টান্ডে বাইক বাহিনীর হাতে আক্রান্ত ভোটাররা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন